মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

হাসপাতাল ও ক্লিনিক

কুমিল্লার স্বাস্থ্য বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের তালিকা   
১) সিভিল সার্জন অফিস, কুমিল্লা।

২) জেনারেল হাসপাতাল, কুমিল্লা।
৩) ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ০৬ টি
    ১) চৌদ্দগ্রাম
    ২) দেবিদ্বার
    ৩) মুরাদনগর
    ৪) হোমনা
    ৫) নাঙ্গলকোট
    ৬) লাকসাম
৪) ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ০৯ টি
    ১) দাউদকান্দি
    ২) তিতাস
    ৩) মেঘনা
    ৪) চান্দিনা
    ৫) বরুড়া
    ৬) মনোহরগঞ্জ
    ৭) সদর দক্ষিণ
    ৮) বুড়িচং
    ৯) ব্রাহ্মণপাড়া
 ৫) শয্যা বিহীন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১টি- আদর্শ সদর।
৬) ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ০৬ টি
    ১) বরুড়া উপজেলার সোনাইমুড়ী
    ২) সদর দক্ষিণ উপজেলার বাঘমারা
    ৩) দাউদকান্দি উপজেলার দোনারচর
    ৪) দাউদকান্দি উপজেলার শহীদনগর ট্রমা সেন্টার
    ৫) চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল
    ৬) নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা
৭) ১০ শয্যা বিশিষ্ট বিশিষ্ট হাসপাতাল ১টি- কালিকাপুর, চৌদ্দগ্রাম।
৮) বক্ষব্যাধি ক্লিনিক, কুমিল্লা।
৯) স্কুল হেলথ্ ক্লিনিক, কুমিল্লা।
১০) ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ৪৫ টি-
    ১) আদর্শ সদর- ১টি- দৌলতপুর।
    ২) সদর দক্ষিণ- ১টি - বাঘমারা।
    ৩) চৌদ্দগ্রাম- ৫টি- কাশীনগর, রাজার বাজার, বাতিসা, চিওড়া, আলকরা।
    ৪) লাকসাম- ১টি- লাকসাম।
    ৫) মনোহরগঞ্জ- ৩টি- নাথেরপেটুয়া, মনোহরগঞ্জ, বিপুলাসার।
    ৬) নাঙ্গলকোট- ৪টি- বাঙ্গড্ডা, জোড্ডা, দৌলখাড়, বক্সগঞ্জ।
    ৭) বরুড়া- ৫টি- গালিমপুর, শীলমুড়ী, আগানগর, পয়ালগাছা, ঝলম।
    ৮) চান্দিনা- ২টি- মহিচাইল, দোল্লাই নবাবপুর।
    ৯) হোমনা- ২টি - নিলক্ষীভাসানিয়া, চান্দেরচর।
    ১০) দেবিদ্বার- ৫টি- এলাহাবাদ, ধামতী, জাফরগঞ্জ, সুবিল, গোপালনগর।
    ১১) মুরাদনগর- ৭টি - জাহাপুর, নগরপাড়, বাঙ্গরা, রামচন্দ্রপুর, গান্দ্রা, হায়দরাবাদ, শ্রীকাইল।
    ১২) দাউদকান্দি- ৬টি - দাউদকান্দি, গৌরীপুর, মোহাম্মদপুর, স্বপাড়া, ইলিয়টগঞ্জ, দৌলতপুর।
    ১৩) তিতাস- ৩ টি - মজিদপুর, আসমানিয়া, বাতাকান্দি।
    ১৪) মেঘনা - নাই
    ১৫) বুড়িচং - নাই
    ১৬) ব্রাহ্মণপাড়া- নাই
     বিঃ দ্রঃ- ৩ টি ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র নেদারল্যান্ড সরকারের সহায়তায় নির্মিত উহাতে কোন জনবল নেই।
    ১৭) লাকসাম- ৩টি- ভূশ্চিবাজার, নরপাটি, মুদাফ্ফরগঞ্জ।

স্বাস্থ্য সেবা সমুহঃ-
    ১) মাঠ পর্যায়ে ইপিআই কার্যক্রম বাস্তয়ন (স্বাস্থ্য কর্মীদের মাধ্যমে)।
    ২) ডায়রিয়া ও এআরআই প্রতিরোধ (স্বাস্থ্য কর্মীদের মাধ্যমে)।
    ৩) ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রতি ৬০০০ (ছয়) হাজার লোকের মধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সেবা প্রদান।
    ৪) ০-১ বয়স পর্যন্ত শিশু এবং প্রত্যেক মায়েদেরকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো।
    ৫) ৬-১২ বছর বয়সী শিশুদেরকে বৎসরে ২ বার কৃমি নাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো।
    ৬) মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুষ্টি, আয়োডিন ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান।